পাঠ:০২
রেখক:FA Fahim
Lবাইরে ঝরো হাওয়া বইছে।আমি বারিতে চলে গেলাম।
দরজায নক করতে,কেয়ারটেকার দরজা খুলে দিলো।
চাচা(কেয়ারটেকার):এতো দেরি হলো কেনো, আপনার ফিরতে।
আমি:(ওনাকে কিছু বুঝতে না দিয়ে)আসলে একটু কাজ ছিলো, তাই।
চাচা:আচ্ছা আপনি ফ্রেশ হয়ে আশুন, আমি খাবার
ব্যাবস্থা করছি।
আমি আমার রুমে চলে গেলাম।
আমি শুধু ওই ডাক্তারের, কথা ভাবছি।একটা মেয়ে এতোটা সুন্দর হতে পারে।
আমি মনে মনে ঠিক করলাম, কালকে ওই ডাক্তারের সাথে
দেখা করবো।
রাতের খাবার খেয়ে, একটু ফোন ঘাটা-ঘাটি করে, শুয়ে
পরলাম।
কেউ যেনো আমায় ডাকছে, রবি আসো আসো,আমার কাছে আসো।
আমি তোমার অপেক্ষায়, পথ চেয়ে আছি।
আমি তার ডাকে সাড়া দিয়ে, তার পিছু পিছু চলতে থাকি।
এক সময় আমি একটা, হাসপাতালের মধ্যে ঢুকে পরি।
ঢোকার সাথে সাথে, একটা মেয়ে এসে আমার গলা চেপে ধরে।
মেয়েটার মুখ ছিলো ভয়ঙ্কর দেখতে।
দেখে মনে হচ্ছে কেউ,ওর মুখটা কোনো কিছু দিয়ে মেরে থেতলে দিয়েছে।
আমি চিৎকার দিয়ে উঠি।দেখি আমি বিছানায়।তার মানে এটি একটি
স্বপ্ন ছিলো।
পাশের টেবিলে থাকা জগ থেকে, ৩গ্লাস পানি খেলাম।
পরের দিন আবার অফিসের জন্য বের হলাম,দেখি সেই ডাক্তার,
হাসপাতালে যাওয়ার রাস্তায় দ্বারিয়ে।
আমি :হাই কেমন আছেন।
ডাক্তার:আমি ভালো আছি, আপনি।
আমি:আমিও ভালো আছি,যদি কিছু মনে না করেন,তাহলে আপনার নামটা, কী জানতে পারি।
ডাক্তার:অবশ্যই।আমি মনিষা।
আমি:বাহ্ খুব সুন্দর নাম।আমি রবি।
ডাক্তার: বাই আমার যেতে হবে।
আমি: ওকে বাই।পরে কী আবার দেখা হবে।
ডাক্তার;: হতেও পারেবলে চলে গেলো।
আমি আমার কাজে গেলাম।সন্ধায় ফেরার পথে,আবার সেই ডাক্তারের সাথে দেখা।
আমি : আবার দেখা হয়ে গেলো।
মনিষা(ডাক্তার): হুম।
আমিরখেয়াল করলাম, মনিষাকে একটু অন্যরকম লাগছে।
আমি বললাম কোনো সমস্যা। মনিষা বলল, তেমন কিছু না।
অনেক্ষন কথা বলার পর, আমি বারির দিকে যাবো,
খেয়াল করলাম,আবার সেই ঝরো হাওয়া।
চলবে……..
ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো।
https://slotbet.online/