• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
  • [Welcome]
নোটিশ ::
আপনার নিজস্ব লেখা- ছোট গল্প,ধারাবাহিক গল্প, কবিতা,ভূতের গল্প আমাদের ম্যাগাজিন ওয়েবসাইটে পাবলিশ করতে এক্ষুনি যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ🍁

গল্প: ভুঁতুরে হাসপাতাল

রিপোর্টারের নাম / ৯২ বার
আপডেট সময়: বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

পাঠ:০৪

লেখক: FA Fahim

সবাই আমায় ধরে ফেলল,
অপর দিক থেকে মনিষা, আমায় ডেকেই যাচ্ছে। এভাবেই অনেক ক্ষন
কেটে যাওয়ার পর, ফজরের আজান শোনা যাচ্ছে।
আস্তে আস্তে আমার উপর থেকে, মনিষার আছর কমে যাচ্ছে।

আমি :আমি কোথায়, আমি এইখানে কেনো, আর আপনারা সবাই আমায় ধরে রেখেছেন কেনো?(এতোক্ষন আমি মনিষার বসে ছিলাম)

চাচা:আগে বারি চলো, সব তোমায় বলবো, আগে বারি চলো।
আমি :কিন্তু…!
চাচা:কোনো কিন্তু না,আগে চলেন।
আমার শরীরটা কেমন যানি লাগছে,মনে হচ্ছে আমার ভেতর থেকে
একটা বড় পাথর নেমে গেলো।

দুই জন লোক আমায় ধরে, কোয়াটারে নিয়ে এলো। কেয়ারটেকার
আমায় এক গ্লাস দুধ এনে দিলো।
সাহেব আপনার উপর দিয়ে অনেক ধকল, বয়ে গেছে, নিন দুধটুকু খান।
আমি : কিন্তু চাচা,হয়েছে টা কী? বলবেন তো।

কেয়ারটেকার আমায় শুরু থেকে সব বলল।

চাচ:আচ্ছা সাহেব, আপনি মনিষার ক্ষপ্পরে পরলেন কীভাবে?
আমি :কে মনিষা, না আমি তো চিনি না।(চাচার কাছ থেকে আড়াল করার চেষ্ঠা করে)
চাচা:সাহেব আমার কাছে, লুকিয়ে আর লাভ নেই,আমি জানি আপনি মনিষার ক্ষপ্পরে পরেছেন।
আমি :কিন্তু চাচা এটা আপনি জানলেন কূভাবে।
চাচা: আসলে মনিষা একটা আত্মা।ও ছেলে দের তার প্রেমের ফাদে ফেলে, ওই হাসপাতালে নিয়ে মেরে ফেলে।

আমি : কিন্তু ও এমন করে কেনো,?
চাচা: সেটা অনেক বড় গল্প পরে বলব।

আমার এমন অবস্থার কথা শুনে, অফিস থেকে আমাকে তিন দিনের ছুটি দিছে।

আমি আর সেদিন, সারাদিন রেস্ট নিলাম। বারি থেকে বের হই নি।

কিন্তু মনিষার তান্ডব শুরু হলো, সন্ধা থেকে।
আমি শুয়ে আছি, কিছু একটা পরার আওয়াজ পেলাম।প্রথমে
মনে করেছিলাম ভূল শুনেছি।কিন্তু আবার সেই শব্দ।
আমি বিছানা ছেরে উঠে বাইরে গেলাম,চারদিকে ভালো করে দেখলাম কিছুই পরেনি।চাচা কেও জিগ্যেস করলাম।
তিনি বললেন তিনি কোনো আওয়াজ পাননি।
আমি আমার রুমের দিকে এগোতে লাগলাম,হটাৎ মনে হলো কেউ আমার পেছন দিয়ে দৌরে গেলো। কিন্তু পেছন ফিরে দেখি কেউ নেই।আমি আবার এগোতে লাগলাম, কেউ যেনো আমার পেছন দিয়ে দৌরে গেলো। আমি তখন ফোনের লাইটটা জ্বালিয়ে, আসপাস দেখতে লাগলাম।কিন্তু কেউ নেই।
আমি পেছন ফিরতেই চাচা দ্বারিয়ে,
চাচা: এখানে দ্বারিয়ে কী করছেন সাহেব?
আমি :না কিছু না,এমনি।

চাচা চলে গেলো, আমি দ্বারিয়েই রয়েছি। দরজায় মনেহয় কেউ নক করছে।আমি গিয়ে দরজটা খুলে দিলাম।
আশ্চর্যের বিষয়, বাইরে চাচা বাজার হাতে দ্বারিয়ে।

তাহলে আমি একটু আগে যার সাথে কথা বললাম আর যাকে জিগ্যেস করলাম কিছু পরছে কী না।তারা চাচা ছিলো না।

আরে আমার তো মনেি নাই, চাচা তো বিকেলে বাজারে গেছে।
আমি এইসব ভাবছি আর আমার মনের মধ্যে একটা ভয় বাসা বাধছে।

চাচা: কী ভাবছেন সাহেব?
আমি : না চাচা কিছু না।
আমি চাচার হাত থেকে একটা ব্যাগ নিলাম, দুজনেই ভেতরে আসলাম।
আমি সোফায় বসে, এতোক্ষন যা যা হলো তাই ভাবছি।
চাচা তার কাজে ব্যাস্ত, আমি আবার সেই ঝির ঝির হাওয়া, অনুভব
করলাম।যেই হাওয়াটা আমি হাসপাতালের ওইখানে পেয়েছিলাম।
তারমানে মনিষা আসেপাশেই রয়েছে।
আমি উঠে আমার রুমে গেলাম।
আমার ওয়াস রুম থেকো পানি পরার আওয়াজ আসছে।
আমি জানি এটা মনিষার কাজ।
মনিষা এই ঘরের ভেতরেই আছে, আমি তারাহুরো করে ঘর থেকে
বের হবো এমন সময়, দরজটা ধুপ করে বন্ধ হয়ে গেলো।
ঘরের লাইট বন্দ হয়ে গেলো। ডিম লাইট অনঅফ করতে লাগলো।
আমি ফোনের লাইটটা জ্বালিয়ে যখনি সামনে নিলাম।
ভয়ঙ্কর একটা মুখ।
(ক্ষত বিক্ষত একটা মুখ, চোখ দিয়ে রক্ত পরছে,
কপালটা ফেটে ভেতরের সব দেখা যাচ্ছে, গাল এবং মুখ মেনেহয় কেউ ভারি কিছু দিয়ে, আঘাত করেছে, পরো থেতলে গেছে।)
আমি একটা চিৎকার দিয়ে দূরে ছিটকে পরি।
ওর হাতে একটা হাতুরি,
ও আমার কাছে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে, আমি হামাগুড়ি দিয়ে
ওর কাছ থেকে দূরে যাওয়ার চেষ্টা করছি।

ও আমার কাছে এসে, হাতুড়িটা উপরে তুললো…….

চলবে……….

ভূল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
https://slotbet.online/