“প্রতিদিন কলা খাওয়া ডাক্তার থেকে দূরে রাখে” বিশেষ করে বার্ধক্যজনিত লক্ষণ দেখা দিলে এই কথা বেশি কার্যকর। হাতের নাগালেই পাওয়া যায় কলা। প্রতিদিন ঝটপট একটি কলা খাওয়া সার্বিকভাবে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
টাম্বারেলো বলেন, “অধিকাংশ মানুষই দৈনিক এক পরিবেশন কলা খেয়ে উপকৃত হন। তবে কেউ চাইলে কিছুটা ভিন্ন উপায়েও কলা খেতে পারেন।”
যেমন-
সকালে ওটসের সাথে ছোট টুকরা করে কলা খাওয়া যায়।
প্যান কেক বা কম মিষ্টির পেস্ট্রি তৈরির ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
পিনাট বাটারের সাথে স্লাইস করে খাওয়া যায়।
হিমায়িত কলা ব্লেন্ড করে এর সাথে ভ্যানিলা বা দারুচিনি যোগ করে আইসক্রিম পরিবেশন করা যায়।
টাম্বারেলা পরামর্শ দেন, “মনে রাখবেন, কোনো একটা খাবার জাদুর বুলেটের মতো কাজ করে না, যা বয়সের ছাপ ধীর করতে পারে। তাই খাবারে ভিন্ন ভিন্ন উপাদান রাখা জরুরি।”
https://slotbet.online/