• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
  • [Welcome]
নোটিশ ::
আপনার নিজস্ব লেখা- ছোট গল্প,ধারাবাহিক গল্প, কবিতা,ভূতের গল্প আমাদের ম্যাগাজিন ওয়েবসাইটে পাবলিশ করতে এক্ষুনি যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ🍁

গল্প: ভুঁতুরে হাসপাতাল

রিপোর্টারের নাম / ৯৪ বার
আপডেট সময়: বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

পাঠ:০৩

লেখক:FA Fahim

বাসায় এসে, আমি আর কিছু খেলাম না।সেই ডাক্তারের কথা (মনিষা)
ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পরলাম।
রাতের বেলা আবার সেই, ভয়ঙ্কর স্বপ্ন।সেই ভয়ঙ্কর ভাবে
থেতলানো সেই মুখ।
সে আমায় ডাকছে। আমি তার কাছ থেকে পালাতে চাচ্ছি কিন্তু
পারছি না।মনে হয় কেউ আমাকে পেছন থেকে টেনে ধরে আছে।
পেছন ফিরতেই সেই মুখ। এক চিৎকারে, আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়।

আমি আবার ঘুমিয়ে পরি।
পরের দিন সকালে, যখন ঘুম থেকে উঠি,তখন চাচা আমায় জিগ্যেস করলো

চাচা(কেয়ার টেকার):আচ্ছা সাহেব, যদি কিছু মনে না করেন তা হলে, একটা কথা জিগ্যেস করতাম।
আমি :জ্বি চাচা বলুন।
চাচা:আমি দুদিন ধরে , রাতের বেলা তোমার চিৎকারের শব্দ পাচ্ছি
কিছু কী হয়েছে?
আমি: (চাচার কাছে গোপন করলাম)কই না তো, আপনি হয়তো ভুল
শুনেছেন।
চাচা:না না, আমি স্পষ্ট শুনেছি, তোমার চিৎকার।

আমি চাচার কথায় পাত্তা না দিয়ে,খাবার টেবিলে বসে পরলাম।
রোজ কার মতো, কাজে বেরিয়ে পরলাম,মনিষার সাথে আবার
দেখা, (সন্ধার সময়),।
এভাবে কয়েকদিন যাবার পর, আমাদের মধ্যে প্রেম হয়ে যায়।আমরা দুজনে জঙ্গলে ঘুরতাম।এক সাথে সময় কাটাতাম।
কিন্তু একদিন আমি, বেশ অবাক হলাম।
মনিষাকে একটি বিষধর সাপ সোবোল দিলো, কিন্তু মনিষার কিছু হলো না।এটা দেখার পর আমি পুরোই হা হয়ে গেলাম।
আমি মনিষাকে এই বিষয় প্রশ্ন করলে, সে আমার কথা এড়িয়ে গেলো।
আমার মনে কিছুটা সন্দেহ হলো, আমি আর মনিষাকে কিছু
বললাম না।
আমি ঠিক করলাম, কালকে দিনের বেলা আমি একবার ওই
হাপাতালে যাবো।
যেমন ভাবনা তেমন কাজ।পরের দিন সেই হাসপাতালে চলে
গেলাম।যা দেখলাম তা দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে
পারছিলাম না।
ভাঙ্গা একটি ভবন, চারদিক ঝোপ ঝারে ভরা।ভেতরে গেলাম
কিছুই নেই শুধু কয়েকটি পুরনো বেড,ভাঙ্গা।আমি দ্রুত মনিষার কেবিনের দিকে গেলাম।তালাবদ্ধ একটি রুম।জানালা দিয়ে দেখলাম
ভেতরে অনেক ময়লা অবাক করা বিষয় এই যে, সেখান থেকে
মরা প্রানির গন্ধ আসছে।
এখন আমিার মনিষার উপর সন্দেহ হতে লাগলো।
মনিষা আমার সাথে, প্রতিদিন সন্ধার সময় দেখা করতে আসতো।
সেই দিন সন্ধায় মনিষা আসলো, আমি তাকে বুঝতে দিলাম না,
যে আমি তার উপর সন্দেহ করছি। কথায় কথায় আমি মনিষার
হাত ধরলাম।
যা দেখলাম তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না।ওর হাতটা
বরফের মতো ঠান্ডা।(মানুষ মরে গেলে, যেই রকম ঠান্ডা হয়)
মনিষা আমার হাতাটা ঝটকা মেরে সরিয়ে দিলো।
আমি :কী হলো মনিষা কোনো সমস্যা?
মনিষা:(তাড়াহুরো করে) না কোনো সমস্যা না।বাই আজকে আমি
যাই।
বলেই চলে গেলো।

আমি বারি ফিরে আসলাম।
আমি ঘুমিয়ে পরি।আমার মনে হলো মনিষা আমায় ডাকছে।
আমি দরজা খুললাম।দেখি মনিষা আমার বারির সামনে দাড়িয়ে।
মনিষা:রবি আসো, রবি আসো, আসো রবি আমার কাছে আসো।
আমি :(আমার চারদিকের কোনো হুস নেই)দারাও মনিষা, আমি আসছি।
মনিষা:আসো রবি আসো।
আমি মনিষার পিছন পিছন হাটতে লাগলাম।
চাচা আমায় পিছন থেকে ডাকছে,কিন্তু আমি তার কোনো কথাই শুনতে পাচ্ছি না।
চাচা:সাহেব যাবেন না, সাহেব যাবেন না।ও একটা আত্মা যাবেন না।
সাথে আরো কয়েক জন আমায় ডাকছে যাবেন না যাবেন না।
আমি মনিষার পেছন পেছন হাসপাতালের কাছে এসে পরি
মনিষা আমায় ডেকেই যাচ্ছে আসো রবি আসো,আমার কাছে
আসো।

চলবে……….

ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
https://slotbet.online/