• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
  • [Welcome]
নোটিশ ::
আপনার নিজস্ব লেখা- ছোট গল্প,ধারাবাহিক গল্প, কবিতা,ভূতের গল্প আমাদের ম্যাগাজিন ওয়েবসাইটে পাবলিশ করতে এক্ষুনি যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ🍁

গল্প: ভুঁতুরে হাসপাতাল

রিপোর্টারের নাম / ৯১ বার
আপডেট সময়: বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

পাঠ :০১

লেখক: FA Fahim

আমি রবি, আমি থাকি বগুড়ায়।আমার ফরেস্ট আফিসারের নতুন চাকরি হয়।
ট্রেইনিং এর পর,আমাকে চট্টগ্রাম এ সিফ্ট করলো।
আমি চট্টগ্রাম এ আমার, অফিসে গেলাম।
অফিস থেকে আমাকে আমার কোয়াটারের চাবি দিলো সাথে একজন কেয়ারটেকার।

কেয়ারটেকার আমাকে কোয়াটারে নিয়ে গেলো।
আমি বাসায় গিয়ে, ফ্রেস হয়ে, একটু রেস্ট নিলাম।
চাচা:শোনো বাবা রাতে, তুমি বারি থেকে বেশি বের হবে না।
আমি : তেনো চাচা, কোনো সমস্যা। (আমি কেয়ার টেকার কে চাচা ডাকি)
চাচা: না বাবা, টিক তা না।
আমার মনে হলো, ওনি আমার কাছে কিছু লুকাচ্ছিলো।
আমি আন তাকে কিছু জিগ্যেস করলাম না।

সদিনের মতো খেয়ে, ঘুমিয়ে গেলাম।পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে, ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে,
অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।
সারাদিন কাজের পর, কোয়াটারে ফেরার পথে, যা দেখলাম।
তা দেখে বেশ অবাকই হলাম,আমি।
একজন বৃদ্ধ লোক রাস্তার পাশে দ্বারিয়ে। দেখে মনে হচ্ছে
লোকটা অসুস্থ। লোকটা আমায় ডাকলো।
আমি তার কাছে গেলাম।তিনি আমায় বলল

বৃদ্ধ : বাবা আমায় একটা সাহায্য করবে।
আমি : জী বলুন কী সাহায্য।
বৃদ্ধ :আমায় একটু হাসপাতালে এগিয়ে দেবে।
আমি :পারবো, কিন্তু আমার জানা মতে এই গ্রামে বা গ্রামের আশেপাশে কোনো, হাসপাতাল নেই।
বৃদ্ধ :কে বলছে, এই তোমায়,ওই যে সামনের ওই রাস্তাটা দিয়ে,গেলেই হাসপাতাল।মাত্র ৫ মিনিটের রাস্তা।
আমি :(অবাক হয়ে বলাম)কিন্তু আমি তো যানি, এই গ্রামের আশেপাশেও কোনো হাসপাতাল নেই।
বৃদ্ধ :(একটু মন খারাপ করে) বুঝছি তুমি আমায় সাহায্য করবে না।তাই এই রকম বলছো।
আমি :ঠিক আছে চলেন।

আমরা দুজনেই হেটে চলেছি,রাস্তাটা দেখে মনে হলো, অনেক বছর ধরে বোধহয় কেউ এই রাস্তায় আসেনি।রাস্তা ওপর শেওলা জমে গেছে।গাছের আগাছা দিয়ে ভরে গেছে।
চারদিকের অবস্থা দেখে, আমার একটু একটু ভয় করছে।
আমি: আর কতো দূর চাচা।
বৃদ্ধ : এই তো এসে গেছি।
বলেই একটু হাটার পর, দেখলাম, সামনে একটা, আলোর নিশান দেখা যাচ্ছে।
কাছে যেতেই দেখলাম, একটা দোতলা ভবন।
আমি সেই বৃদ্ধকে নিয়ে, ভেতরে ঢুকলাম।ভেতরে কেউ নেই।লাইটা নিভছে আবার জ্বলছে।
একটা চেয়ার দুলছে। আমি বেশ ভয় পেয়ে গেলাম।
এমন সময়, খুব সুন্দর একজন মহিলা, এসে আমাদের সামনে হারিজ হলো।
পোশাক দেখে মনে হলো, উনি ডাক্তার।

মেয়েটি আমাদের, তার চেম্বারে নিয়ে গেলো।ভিতরে ডুকলাম, ভিতরে ছিলো তিনটি চেয়ার, অনেক পুরনো।
অদ্ভুত একটা গন্ধ গন্ধ পেলাম, কোনো মরা প্রাণির।
ঘরের এক কোনে, কিছু হাড় পরে আছে।

আমি যতো দ্রুত সম্ভব, সেই বৃদ্ধকে ওখানে রেখে, চলে আসলাম।

চলবে………

ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার, অনুরোধ রইলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
https://slotbet.online/